আব্বু আম্মু আর ছোটবোনকে নিয়ে সাজানো আমার ছোট্ট পৃথিবী । নিজের সর্ম্পকে বলার মতো এর চেয়ে বেশি কিছু নেই
Friday, July 24, 2020
Thursday, July 23, 2020
Tuesday, January 14, 2020
রাত
Saturday, January 12, 2019
বিবর্তন
আজ থেকে আর মাত্র ১০ বছর পর আমাদের অবস্থা যেমন হবে --
: হ্যালো ! এটা কি পিৎজা হাট?
- না স্যার, গুগল'স পিৎজা।
: আমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?
- না স্যার, দোকানটা কিনে নিয়েছে গুগল !
: ওকে, আমি কি পিজার অর্ডার দিতে পারি?
- স্যার, সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেন আজকেও কি ওটাই দিবেন?
: আমি সাধারণত যে পিজার অর্ডার দেই সেটা আপনি কিভাবে জানেন?
- আপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী , আপনি শেষ ১৫ বার ডাবল চিজ বারো স্লাইস সসেজ পিৎজা অর্ডার করেছেন।
: আমি এবারও ওটাই চাই।
- কিন্তু স্যার, কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিৎজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি।
: আমার কলেস্টেরল হাই এটা আপনি কিভাবে জানেন?
-সাবস্ক্রাইবার গাইড থেকে। আমাদের কাছে আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে।
: আমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দেন । কলেস্টেরল এর জন্য আমি ঔষধ খাই।
- কিন্তু আপনিতো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০টা ট্যাবলেটের একটা বক্স কিনেছিলেন।
: আমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকিগুলা নিয়েছি।
- কিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না!
: আমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি।
- আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি উঠাননি।
: আমার অন্য আয়ের উৎস আছে।
- আপনার ট্যাক্স ফর্মে সে তথ্য নাই।
: ধুর মিয়া, আপনার পিজার গুষ্টি কিলাই। পিজাই খামু না। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, সেলফোন, ইন্টারনেট ছাড়া দ্বীপে চলে যামু যেখানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করতে পারবে না।
- জি স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে , ৫ সপ্তাহ আগে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে !
Monday, January 7, 2019
Tuesday, October 9, 2018
"অনুধাবন"
যা দেখে, শুনে বা প্রত্যক্ষ করে মানুষ কষ্ট পায়, সেসব জিনিসগুলো হতে মানুষ অনেক অনেক দূরে চলে যেতে চায়। কেননা মানুষ সব সময় কষ্ট থেকে দূরে ভাগতে চায়, এটাই যে তার স্বভাবসলুভ প্রকৃতি.....।
Friday, October 5, 2018
Tuesday, October 2, 2018
অনুভূতি
কিছুকিছু অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এমনকি লিখেও না। কিছু বিষয় স্রষ্টা আমাদের নিজেদের মধ্যেই রেখে দিয়েছেন, যা প্রকাশের কোন মাধ্যমই নেই..........!
Sunday, September 9, 2018
এক্সপেকটেশন
___________যত ঝগড়া আর রাগারাগি সব কাছের মানুষের সাথেই হয়, একটা মানুষ যত বেশি তোমার সাথে মিশবে, দিনের পর দিন প্রতি ঐ মানুষটার প্রতি তোমার এক্সপেকটেশন একটু একটু করে বাড়তে থাকবে।
একটা সময় তুমি যখন তার কাছের মানুষ হয়ে যাবা, তখন সেই মানুষটা তোমার কাছ থেকে নিজের অজান্তেই অনেক বেশি এক্সপেক্ট করা শুরু করবে !! যখন তুমি তার খোঁজ নিবে,,, ঐ সময়টায় তোমার সামান্য নীরবতাই তখন তাকে ভয়াবহ রাগিয়ে দিবে। মানুষটা নিজেও জানবে, সে সামান্য ব্যাপারেই তোমার উপর বেশি রাগ করে ফেলেছে। সে সব জানবে, কিন্তু মানবে না ...! সব দোষ ঐ "এক্সপেকটেশন" এর !!
পুরো পৃথিবীর সবাই ব্যস্ত থাকুক, সমস্যা নেই কিন্তু তুমি ব্যস্ত থাকলে তার পৃথিবীটাই উলটে যাবে,,,,,! মানুষটা মনে প্রাণে চাইবে, শত ব্যস্ততার মাঝেও তুমি তাকে সময় দাও,,,,!
সেই চাওয়া যখন পূরণ হয় না, তখনই কষ্ট
হয় ভীষণ কষ্ট !!
কারণ ছাড়াই যে মেয়েটা তোমার উপর রাগ দেখায়, তাকে ভুল বুঝো না,,! একটু উনিশ-বিশ হলেই যে ছেলেটা তোমার উপর মন খারাপ করে বা ওভার-রিঅ্যাক্ট করে, তাকে দূরে ঠেলে দিও না !! "কাছের মানুষ" হওয়াটা এত সহজ ব্যাপার না,,। চারপাশের হাজার হাজার মানুষের মাঝে কেউ একজন তোমাকেই খুব আপন ভাবে, তার একটুখানি অত্যাচার সহ্য করতে পারবে না তুমি,,,,,!
অবশ্যই পারবে !! অন্যান্য সব অত্যাচারের ভেতর
যন্ত্রণা মেশানো থাকে,,, কাছের মানুষের অত্যাচারের ভেতর ভালোবাসা মেশানো থাকে। এই অত্যাচার সয়ে নিও হাসিমুখে!
Friday, August 10, 2018
Tuesday, August 7, 2018
উপলব্ধি
ঘুরেফিরে বার বার চলে আসি নিজের পাশেই। বসে থাকি চুপচাপ, হাতটা বাড়িয়ে একটা মশা মারি, ঠাস করে শব্দ হয়। নিজের তৈরী শব্দের প্রতি নিজেরই মুগ্ধতা তৈরী হয়। মৃত মশার প্রতি সহানুভুতি জাগে। "হাতে" বা 'পা' এ লেগে থাকা নিজের রক্তের রঙের দিকে ভালোবাসা নিয়ে তাকিয়ে থাকি।
Sunday, August 5, 2018
এর শেষ কোথায়
১) বাংলাদেশ জাতিসংঘ শিশু সনদ ও আন্তর্জাতিক শিশু অধিকারের সকল ধারায় সাক্ষরকারী দেশ। দেশে শিশু অধিকার আইন, নির্যাতনবিরোধী আইন, কর্পোরাল পানিশমেন্ট বিরোধী (যেমন স্কুলে শারিরীক পীড়ন) আইন রয়েছে। পৃথিবী দেখছে সবই চুড়ান্ত ভাবে ভংগ করেছে আইনগুলো প্রতিষ্ঠার দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকার নিজেই।
--পাঁচ দিন, দশ দিন, কুড়ি দিন, কতো দিন শিশুরা রাস্তায় থাকত? ফিরে তারা যেতই, ফিরতে হতই। কিন্তু শিশু-কিশোরদের উপর হামলা? যুদ্ধাবস্থামুক্ত শিশুনিবর্তক প্রথম এবং একমাত্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তি শুন্য (জিরো) হয়ে গেল।
====
২) “আমাদের মুক্তির সংগ্রাম” ভাষ্যটি বুকে ধরে যিনি দেশকে পাকিস্তান-রাহুমুক্ত করেছিলেন, তাঁরই কন্যা কীভাবে “উই ওয়ান্ট জাস্টিস” ভাষ্যটি বুকে ধরে সামান্য একজন মন্ত্রীর রাহুমুক্ত হতে অ্যাতটা অক্ষম হলেন; দানব-রাহুর পক্ষ নিয়ে জনগণের প্রতিপক্ষও হলেন নির্দ্বিধায়? এই একজন মন্ত্রীকে কি সরকার কোটি কোটি দেশবাসীর চাইতেও বেশি ভয় পায়? পেলে কেন?
-- বঙ্গবন্ধুর “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম” এবং “উই ওয়ান্ট জাস্টিস” এর চেতনা, উদ্দেশ্য, বক্তব্য, এবং মর্যাদা একই! সমান সমান। এমনই ন্যায্য যেন ৪৭ বছর পর বঙ্গবন্ধুই শ্লোগানটি দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর দলটিই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধুলিস্যাৎ করল! জাতির জনক কি শুধুই দলটির রাজনীতি ব্যবসার পুঁজি? আজ হতে দলটির নৈতিক ভিত্তিও শুন্য (জিরো) হয়ে গেল।
-- ছাত্ররা ‘মন্ত্রীর পদত্যাগ চায়নি’ কথাটিকে যদি সত্যও ধরি; ন্যুনতম রাজনৈতিক নীতিবোধ, নৈতিকতা, বিবেচনাবোধ বা জনগণের প্রতি এক কণা সম্মানবোধ থাকলেও স্বপ্রণোদিত হয়ে মন্ত্রী শুরুতেই পদত্যাগ করতেন। অথবা প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সরে যেতে অনুরোধ করতেন। তাঁর পদত্যাগে সিস্টেমের আহামরি কোনো পরিবর্তন হয়ত হত না—কিন্তু দেশবাসীর প্রতি, শিশুদের প্রতি অশেষ সম্মান দেখানো হত। তারাও ঘরে ফিরত। দূর্্যোগও নামত না। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই এ’রকম—বেশিরভাগই সিম্বলিক ও নর্ম্যাটিভ। দেশে গণতন্ত্র নাই বলেই এই সৌন্দর্যটি সরকারের মোটেও নাই; দেখানোর আগ্রহ বা গরজ কোনোটা তো নাই-ই!
===
৩) ধরি গুজব, বিএনপি-জামাতশিবির, ষড়যন্ত্র, রাজনীতি সবই সত্য, তা’হলে কথা হচ্ছেঃ
--আক্রমন করে সরকারপক্ষ কেন গুজবের সব রাস্তাগুলো খুলে দিল?
-- প্রশ্নবোধক জাল ছবি ভিডিওগুলো বাদ দিলেও হাজারে হাজারে রক্ত হিম করা অথেন্টিক ছবি-ভিডিও কি বিশ্ববাসী দেখছে না, দেখবে না?
--কোনো আন্দোলনে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটলে প্রতিবিধান কি শিশুপীড়ণ?
--রাজনৈতিক দলগুলোকে উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক রাজনীতি করতে না দিলে তারা যে অবশ্যই চোরাগোপ্তা পথে, গেরিলা পদ্ধতিতে উদ্দেশ্য হাসিলে নামবে—কে না জানে? যদি বর্তমান সরকারি দল বিরোধী দলে থাকত, ক্ষমতাসীনরা যদি একই আচরণ করত তারাও একইভাবে সুযোগ খুঁজত। প্রতিপক্ষকে মাঠের রাজনীতি করতে না দিয়ে, উলটো ঠেকাতে গিয়ে অহিংস আন্দোলনে রত শিশুদের উপর আক্রমন কতটা বীভৎস নৃশংসতা—ধারণা করা যায়?
-- অন্যের আন্দোলনে যোগ দেয়া বা সরকার পতনের আন্দোলন, ফোনালাপ সবই তো নাগরিকের ন্যয্য অধিকার—বৈধ,সিদ্ধ, সংবিধানসম্মত রাজনৈতিক অধিকার! তা’হলে তারা যদি ছাত্রদের সঙ্গে যোগও দেয় অহিংস আন্দোলনে রত শিশুদের আক্রমন করা কোন ধরণের প্রতিরোধ? এ'টি সহিংসতা। সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধ।
==
৪ আগস্ট ২০১৮’র মত বীভৎস কালো দিন পৃথিবীর কোথাও কোনো প্রত্যন্তে কোনো মানুষের আবাসেই কখনোই কোনোভাবেই না নামুক।
Saturday, August 4, 2018
Friday, August 3, 2018
নিরাপদ সড়ক চাই
সাড়া বাংলার ছাত্রসমাজ আজ ফুঁসে উঠেছে।
দাবী একটাই নিরাপদ সড়ক চাই। ইনশাল্লাহ জয় আমাদের সুনিশ্চিত, পরিবর্তন আসবেই !
Tuesday, July 31, 2018
Thursday, July 26, 2018
ইতিহাসের সাক্ষী হতে আপনি প্রস্তুত তো... ?
শুক্রবার মধ্যরাত অর্থাৎ আগামী ২৭ জুলাই (কোনও কোনও দেশের জন্য ২৮ জুলাই) দেখা যাবে শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই বিশেষ মাহেন্দ্রক্ষণটির স্থায়িত্ব হবে ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এদিন লালচে রং ধারণ করবে চাঁদ; যাকে বলা হয় ‘ব্লাড মুন’।আর্থস্কাই জানায়, ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো থেকে দেখা যাবে এ মহাজাগতিক দৃশ্য। এশিয়ার বেশিরভাগ দেশ থেকে ২৭ জুলাই দিনগত মধ্যরাতের পর অথবা ২৮ তারিখ ভোর থেকে চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করা যাবে।পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ আর আগে-পরের দু’টি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ মিলিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আলো-আঁধারিতে ঢাকা থাকবে চাঁদ। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের আগে ও পরে আরও দুইবার হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ।
নরওয়েভিত্তিক ওয়েবসাইট টাইম অ্যান্ড ডেট ডটকম জানাচ্ছে, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ১৪ মিনিটে শুরু হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। চলবে রাত ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তার পর শুরু হবে শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ।তা শেষ হবে রাত ৩টা ১৩ মিনিটে। এরপর আবার ৩টা ১৩ মিনিটে ফের শুরু হবে আংশিক গ্রাস, যা শেষ হবে রাত ৪টা ১৯ মিনিটে। শতাব্দীর এই দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে।প্রতিবেশি ‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলও পৃথিবীর খুব কাছে এসে পড়বে শুক্রবার। কারণ, কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ওই দিনই পৃথিবীকে মাঝখানে রেখে সূর্যের ঠিক উল্টো দিকে চলে যাবে মঙ্গল, যেখানে আগামী ১০০ বছরের মধ্যে ‘উপনিবেশ’ বানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে মানবসভ্যতার।
শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ ছাড়াও জুলাই মাসে আরেকটি বিরল দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে পারবেন নক্ষত্র প্রেমীরা। ৩১ জুলাই ২০০৩ সালের পর পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করবে মঙ্গলগ্রহ। এদিন পৃথিবী থেকে ৩ কোটি ৫৮ লাখ মাইল দূরে অবস্থান করবে লাল গ্রহটি এবং আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই দেখা যাবে।
Monday, July 23, 2018
অনুধাবন
জীবনে সবকিছু একবার হলেও চেষ্টা করে দেখা উচিত। স্রষ্টা প্রতিটি মানুষকে কিছু না কিছু ক্ষেত্রে অনুপম দক্ষতা দিয়ে পাঠিয়েছেন, সেটি কখনো জানতেও পারবে না যতদিন না তুমি সেটি চেষ্টা করে দেখছো।
প্রকৃতির শেষ ঠিকানা
"আকাশ নদীর মোহনায় প্রকৃতির শেষ ঠিকানা, লালচে আভায় মুঠো ভরে খুঁজেফিরি জীবনের মানে "
-
"বিশ্ব বিবেক " আকাশে বাতাসে কান্নার রোল ভেসে আসে রাখাইন রহিঙ্গার। মারছে মানুষ চলছে তান্ডব ধ্বংসের এ'কি ব...
-
আজ থেকে আর মাত্র ১০ বছর পর আমাদের অবস্থা যেমন হবে -- : হ্যালো ! এটা কি পিৎজা হাট? - না স্যার, গুগল'স পিৎজা। : আমি কি তাহলে ভুল নাম্বা...
-
প্রতিটি মানুষই বেঁচে থাকার জন্য কোন না কোন সম্পর্ককে আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়। হতে পারে তা সৃষ্টিকর্তার সাথে, হতে পারে তা মা-বাবা, ভাই বোন, ...





